বিশ্বে প্রভাববিস্তারকারী যে কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভারতীয় রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং-'র' নামের গোয়েন্দা সংস্থাটি। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে বেশ প্রভাব বিস্তার করে আছে সংস্থাটি। এবার আসুন জেনে নেই ভারতীয় এই গোয়েন্দা সংস্থাটি সম্পর্কে চমৎকার কিছু তথ্য।
'র' গঠনের সূচনা ১৯৬২ সালের ইন্দো-চীন যুদ্ধের পর হলেও ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৬৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এটি চূড়ান্তভাবে জন্ম নেয়। ওই সময় ভারতকে সুরক্ষিত রাখতেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এই সংস্থাটি গড়ে তোলেন।
সংস্থাটির মূলমন্ত্র হল 'ধর্ম রক্ষতি রক্ষিত'। যার বাংলা অর্থে হচ্ছে, যে ধর্ম রক্ষা করে সে সব সময় সুরক্ষিত থাকে। 'র' এর প্রথম ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন রামেশ্বর নাথ কাও।
আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআই-এর আদলে গড়ে তোলা হয়েছে 'র'-কে। তাই এর কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইসরাইলে পাঠানো হয়ে থাকে।
দেশগুলোতে 'ক্রব মাগা' এবং গুপ্তচরবৃত্তির জন্য টেকনিক্যাল ডিভাইস কীভাবে ব্যবহার করতে হবে তা শেখানোর পাশাপাশি ফিন্যান্সিয়াল, ইকনমিক অ্যানালিসিস, স্পেস টেকনোলজি, ইনফর্মেশন সিকিউরিটি এনার্জি সিকিউরিটি এবং সায়েন্টিফিক নলেজের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয় হয়।
সংস্থাটিতে প্রথম দিকে ভারতের আইবি, ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসেস, ইন্ডিয়ান মিলিটারি এবং রেভিনিউ ডিপার্টমেন্ট থেকে কর্মকর্তাদেরকে নিয়োগ করা হলেও এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রদের এখানে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
'র' কোন বিষয়েই ভারতীয় সংসদকে জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। শুধু প্রধানমন্ত্রী এবং জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটিকেই জবাবদিহি করে থাকে সংস্থাটি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীকে সাহায্যের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে সংস্থাটি। ওই সময় পাকিস্তানের সৈনিকদের সম্পর্কে খোঁজ খবর দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করেছিল সংস্থাটি।
News Views 24
This the online News portal which may collected from Trust-able source.
Subscribe to:
Comments (Atom)
Popular Posts
-
9 burnt in Magura fire-bombing Saturday’s arson victims have been sent to Dhaka Medical College and Hospital. Eight of them h...
-
দেশে রকেট গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ (মে-২০১৫) প্রকাশিত প্রতিবেদ...
-
ফেলানী হত্যা মামলার রায়ের বিরুদ্ধে ভারতের উচ্চ আদালতে আপিল করতে সেদেশের বেসরকারি সংস্থা ‘মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের’ (মাসুম) সহায়তা চেয়েছেন ...
